ই-নলেজ এ আপনাকে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং ই-নলেজ এর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...।

42 বার প্রদর্শিত
08 জানুয়ারি "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (গুণী) (446 পয়েন্ট)  
20 জানুয়ারি বন্ধ করেছেন
বন্ধ

3 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
09 জানুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (2,964 পয়েন্ট)  
20 জানুয়ারি নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
বলা হয়ে থাকে মৃত্যু ব্যাতীত সকল রোগের মহোঔষধ হলো মধু! 

মধু সেবনের উপকারিটা অনেক

সামান্য কিছু উপকারিতা গুলো হল -

১ঃ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশীর কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।

২ঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৩ঃ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৪ঃ দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।

৫ঃ দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।

৬ঃ মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করে।

৭ঃ মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লাবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।

৮ঃ আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।

৯ঃ দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘা-এর জন্য খুবই উপকারী।

১০ঃ শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।

১১ঃ ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিস্কের কলা সুদৃঢ় করে।

১২ঃ মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

১৩ঃ Honey কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

১৪ঃ যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।

১৫ঃ শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ Honey খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না।

১৬ঃ ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।

১৭ঃ রক্ত পরিশোধন করে।

১৮ঃ শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।

১৯ঃ জিহ্বার জড়তা দূর করে।

২০ঃ honey মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

২১ঃ বাতের ব্যথা উপশম করে।

২২ঃ মাথা ব্যথা দূর করে।

২৩ঃ শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে।

২৪ঃ কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে বিশেষ উপকার করে।

২৫ঃ শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে।

২৬ঃ মধু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, ফলে শরীর হয়ে ওঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

২৭ঃ যৌন অক্ষমতা দূর করে এবং অটুট যৌবন ধরে রাখে। যৌন অক্ষমতা দূর করার জন্য বিশ্বের প্রখ্যাত honey বিজ্ঞানীদের মতে দৈনিক পর্যাপ্ত মধুই যথেষ্ট।

২৮. নিয়মিত honey সেবন করলে ধাতু দুর্বল (ধ্বজভঙ্গ) রোগ হয় না। ইত্যাদি।
মো: তানজিদ হোসাঈন চৌধুরী একজন জ্ঞান পিপাসু ব্যক্তি। নিজে জানার আর অন্যকে জানানোর অদম্য ইচ্ছার প্রয়াসে ই-নলেজে এসেছেন।ভবিষ্যতে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার এবং সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আপনাদের সকলের নিকট দোয়াপার্থী। ই-নলেজের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
2 পছন্দ 0 অপছন্দ
10 জানুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,159 পয়েন্ট)  

নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

 ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;

 ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;

৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।


নাহিদ হোসেন মিতুল একজন জ্ঞান পিপাসু মানুষ। জ্ঞান অর্জন ও নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে সাহায্য করাকেই বড় মনে করেন তিনি। তাই তিনি ইন্টারনেটের জগতে যুক্ত হয়েছেন শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ই-নলেজে। জ্ঞান বিনিময়ের এই বিশেষ পরিবারে তিনি যুক্ত হয়ে আছেন একজন "সম্পাদক" হিসেবে।
10 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (3,159 পয়েন্ট)  
মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। 
1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
10 জানুয়ারি উত্তর প্রদান করেছেন (গুণী) (358 পয়েন্ট)  

মধু খাওয়ার উপকারিতাঃ


  • রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়ঃ

মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের  ভেতরে ও বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমণে বিভিন্ন রোগ প্রায়ই দেহকে দুর্বল করে দেয়। এসব ভাইরাস প্রতিরোধে মধু খুবই কার্যকর।

  • হজমে সহায়তাঃ

মধুতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে তা হজমে সাহায্য করে। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ

মধুতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ভোরে ১ চা চামচ খাঁটি মধু খেলে কোষ্ঠবদ্ধতা ও অম্লত্ব দূর হয়।

  • রক্তশূন্যতায়ঃ

মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ এতে থাকে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

  • ফুসফুসের রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ঃ

বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। কেউ কেউ মনে করেন, এক বছরের পুরনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

  • গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তিতেঃ

হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে একজন ব্যক্তি দিনে তিন বেলা দুই চামচ করে মধু খেতে পারেন।

  • প্রশান্তিদায়ক পানীয়ঃ

হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয় হিসেবে অসাধারণ।

  • মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়ঃ

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহূত হয়। দাঁতে ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ হয়। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সমপ্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়। এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত কুসুম গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

  • পাকস্থলীর সুস্থতায়ঃ

মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
12 জানুয়ারি "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tanzith (বিশারদ) (2,964 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
08 অক্টোবর 2019 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মুঈনুল ইসলাম তলহা (গুণী) (450 পয়েন্ট)  
3 টি উত্তর
08 জানুয়ারি "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন FM (গুণী) (446 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
23 অক্টোবর 2019 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন RIHAN AFREEN (বিশারদ) (3,692 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
01 জুলাই "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Nahid Hosen Mitul (বিশারদ) (3,159 পয়েন্ট)  
বিজ্ঞাপন

13,291 টি প্রশ্ন

14,277 টি উত্তর

1,687 টি মন্তব্য

470 জন সদস্য


ই-নলেজ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।কমিউনিটির এই প্ল্যাটফর্মের সদস্যের মাধ্যমে আপনার প্রশ্নের উত্তর বা সমস্যার সমাধান পেতে পারেন পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন।মূলত এটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক কমিউনিটি। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্যে।

ডাউনলোড অ্যাপ


  1. মোঃ নুর আলম

    108 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. Tanzith

    68 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. জামিনুল রেজা

    53 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোঃ নুর আলম

    544 পয়েন্ট

    81 টি উত্তর

    1 মন্তব্য

    75 টি প্রশ্ন

  2. Tanzith

    370 পয়েন্ট

    83 টি উত্তর

    1 মন্তব্য

    76 টি প্রশ্ন

  3. নাহিয়ান

    126 পয়েন্ট

    17 টি উত্তর

    16 মন্তব্য

    10 টি প্রশ্ন

  4. আসাদুল্লাহ

    88 পয়েন্ট

    9 টি উত্তর

    3 মন্তব্য

    46 টি প্রশ্ন

  5. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

    65 পয়েন্ট

    15 টি উত্তর

    8 মন্তব্য

    2 টি প্রশ্ন

ই-নলেজ অ্যাড জোন
ই-নলেজ সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য ই-নলেজ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার। বিস্তারিত...
...