ই-নলেজ এ আপনাকে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং ই-নলেজ এর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...।
Download App
menu search
person

Image

95 বার প্রদর্শিত

2 উত্তর

thumb_up_alt 3 পছন্দ thumb_down_alt 0 অপছন্দ

কোনো মানুষকে বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করতে হলে যে গুন কে অগ্রাধিকার দিতে হবে তা বর্ননা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন, 'হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীর সঙ্গী হও।'সুরা তওবা: আয়াত: ১১৯

তাই যার মধ্য কুরআন হাদিসের ভালোবাসা বা অনুভূতি আছে ইসলাম তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে বলেছেন। আর যার মধ্যে নেই তার সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন।

আল্লাহ বলেন, 'মুমিনগণ যেন অন্য মুমিন কে ছেড়ে কোনো কাফিরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ না করে। আর যে এরুপ করবে আল্লার সাথে তার কোন সম্পর্ক থাকবে না।'সুরা আল-ইমরান: আয়াত:২৮

সুন্দর বলেছেন ভাই।
জামি আপনি উত্তর সুন্দর দিয়েছেন কিন্ত উত্তর দেওয়ার আগে দেখতে হত প্রশ্ন টি কোন বিভাগে করা হয়েছে। প্রশ্নের বিভাগ অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার নিয়ম।

আশা করছি পরবর্তীতে প্রশ্নের বিভাগ দেখে তাঁর পর উত্তর দিবেন।
রাখি আপু, মতামত বিভাগে যে যার মতো করে উত্তর দিতে পারবে।  নিজের মতো করে উত্তর দেয়ার স্বাধীনতা আছে। 
রাখি আপু, মাসুদ ভাই যেটা বলেছেন যে মতামত বিভাগে যে যার নিজের মত করে উত্তর দিতে পারে কারন এই স্বাধীনতা মতামত বিভাগে রয়েছে। তাই আমিও আমার মত করে উত্তর করেছি।। আর তাছাড়াও যেখানে আল্লাহ সুবহানা ওয়াতালা যখন নিজেই বলেছেন যে কাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে।। সেখানে আমার মত করে উত্তর দেওয়ার কি দরকার...
thumb_up_alt 1 টি পছন্দ thumb_down_alt 0 অপছন্দ

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনের অনেক জায়গায় বন্ধু নির্বাচনে মানুষ কোন পদ্ধতি অবলম্বন করবেন সেটি বলে দিয়েছেন। আল্লাহর নবী মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় দীর্ঘ জীবন অতিবাহিত করেছেন। তার চারপাশে অসংখ্য মানুষ ছিল, আপনজন ছিল, ভাই-বেরাদারও ছিল। তাদের সবাইকে পাশ কাটিয়ে আল্লাহতায়ালা যাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তা সূরা কাহাফের ২৮ নাম্বার আয়াতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে- ‘ধৈর্যের সঙ্গে আপনি নিজেকে তাদের সংস্পর্শে আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকার্তাকে তার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে ডাকে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না’

এ আয়াতে উপদেশ নয়, অনুরোধ নয় সরাসরি আদেশ করেছেন। প্রথমে তিনি প্রজ্ঞাপন জারি করলেন, ধৈর্য-সহ্যের সঙ্গে আপনি নিজেকে তাদের সংস্পর্শে আবদ্ধ রাখুন। এরপর হুকুমের পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞাও ঝুলিয়ে দিয়েছেন, ‘আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না’। তারা কারা যাদের থেকে দৃষ্টি ফেরাতে নিষেধ করেছেন? তারা হল, সকাল-সন্ধ্যায় যারা তাদের রবকে ডাকেন। রবের সন্তুষ্টি কামনা করেন। এটাই হল বন্ধুত্বের মানদণ্ড! দলবেঁধে শিকার করা নয়, মুভি দেখা, গান শোনা, মাউন্টট্রেকিং নয়, নয় সাইকেল অভিযাত্রা, আড্ডাবাজি নয়, আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্তি নয়, ফেসবুক ফ্রেন্ড নয়।

অন্যত্র আল্লাহ বলেন- ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও’। [তাওবা- ১১৯]

খারাপ বন্ধুত্বের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে মহান আল্লাহ আরও বলেন, ‘জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, হায় আফসোস! আমি যদি রাসূলের পথ অবলম্বন করতাম, হায় আমার দুর্ভাগ্য, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। [ফুরকান-২৭,২৮]

এমন অনেক আয়াতে আল্লাহ মানুষকে বন্ধু বাছাইয়ের পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন।

বন্ধু নির্বাচনে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। হাদিসে বন্ধুত্ব গ্রহণ ও তার মর্যাদা সম্পর্কে বহু বাণী উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু ধার্মিক, ধৈর্যশীল, পরোপকারী ব্যক্তিকেই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপাধিগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘হাবিবুল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহর বন্ধু। শুধু এ শব্দটি দিয়েই বন্ধুত্বের গুরুত্ব ও উপকারিতা বুঝা যায়। এ জন্য হাদিসে বন্ধু নির্বাচনে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। খারাপ বন্ধুর সংস্পর্শ ও বন্ধুত্বের জন্য কিয়ামতের ময়দানে আফসোস করতে হবে। নেক বন্ধু ও বন্ধুত্বের জন্য আরশের ছায়ায় স্থান পাওয়া যাবে। খারাপ বন্ধুত্বের সম্পর্কের কারণে যারা দুনিয়াতে গর্ব করে, কিয়ামতের দিন সে সম্পর্ক শুধু নিষ্ফলই হবে না, বরং তা শত্রুতায় পর্যবসিত হবে।

হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : ‘মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে সঙ্গী নির্বাচন করবে না’। [তিরমিযি]

ইমাম জাফর সাদিক (রহ.) বলেছেন, ‘পাঁচ ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করা উচিত নয়। মিথ্যাবদী, নির্বোধ, ভিতু, পাপাচারি ও কৃপণ ব্যক্তি।

হযরত আলি (রা.) ইরশাদ করেন : নির্বোধের বন্ধুত্ব থেকে দূরে থাক। সে তোমার উপকার করতে চাইলেও তাকে নিয়ে তোমার ক্ষতি হবে। [সাদাকাত]

সঠিক বন্ধু নির্বাচন করলে হাশরের ময়দানে আল্লাহর আরশের ছায়ায় স্থান পাওয়ার ঘোষণা এসেছে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সাত ব্যক্তিকে কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ তার আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। (এর মধ্যে) ওই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর জন্য একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেছে। [বোখারি]

হে যুবক! বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের আবেগ, চাহিদা, স্বার্থ ইত্যাদী ত্যাগ করে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে ধার্মিক, বুদ্ধিমান, পরোপকারী কাউকে বেছে নিন।


সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
1 উত্তর
4 টি উত্তর
2 টি উত্তর
1 উত্তর
ই-নলেজ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
DMCA.com Protection Status


...