ই-নলেজ এ আপনাকে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং ই-নলেজ এর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...।
Download App

ই-নলেজ বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
DMCA.com Protection Status


Image

"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (বিশারদ) (1,168 পয়েন্ট)  
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
34 বার প্রদর্শিত

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
image

বাইরের জগতের সাথে মক্কার সংযুক্তি ঘটিয়েছে যে ‘অদ্দান’ উপত্যকাটি, সেখানেই ছিল ‘গিফার’ গোত্রের বসতি। মক্কার কুরাইশদের বাণিজ্য কাফিলা ওখান দিয়ে সিরিয়া যাতায়াত করত। এসব  কাফিলার নিরাপত্তার বিনিময়ে যে সামান্য অর্থ লাভ করতো তা দিয়েই তারা জীবিকা নির্বাহ করতো। ডাকাতি, রাহাজানিও ছিল তাদের পেশা। যখন কোন বাণিজ্য কাফিলা তাদের দাবী অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী বা অর্থ আদায় করত না তখন তারা লুটতরাজ চালাতো।

জুনদুন ইবন জুনাদাহ, আবু যার নামেই যিনি পরিচিত- তিনিও ছিলেন এ কবীলারই সন্তান। বাল্যকাল থেকেই তিনি অসীম সাহস, প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও দূরদৃষ্টির জন্য ছিলেন সকলের থেকে স্বতন্ত্র। জাহিলী যুগে জীবনের প্রথম ভাগে তাঁর পেশাও ছিল রাহাজানি। ‘গিফার’ গোত্রের একজন দুঃসাহসী ডাকাত হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তবে কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর জীবনে ঘটে গেল এক বিপ্লব। তাঁর গোত্রীয় লোকেরা এক আল্লাহ ছাড়া যে সকল মূর্তির পূজা করত, তাতে তিনি গভীর ব্যথা অনুভব করতে শুরু করেন। সমগ্র আরব বিশ্বে সে সময় যে ধর্মীয় অনাচার, অন্ধ বিশ্বাস ও কুসংস্কারের সয়লাব চলছিল তা তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেন। তিনি অধীরভাবে অপেক্ষা করতে থাকেন এমন একজন নবীর, যিনি মানুষের বুদ্ধি-বিবেক ও অন্তরকে পরিচ্ছন্ন করে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে তাদের নিয়ে আসবেন।

তিনি রাহাজানি পরিত্যাগ করে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর ইবাদাতের দিকে ঝুঁকে পড়েন, যখন সমগ্র আরব দেশ গুমরাহীর অতল গহ্বরে নিমজ্জিত ছিল। হযরত আবু মা’শার বলেনঃ ‘আবু যার জাহিলী যুগেই মুওয়াহহিদ বা একত্ববাদী ছিলেন। এক আল্লাহ ছাড়া কাকেও তিনি উপাস্য বলে বিশ্বাস করতেন না, অন্য কোন মূর্তি বা দেবদেবীর পূজাও করতেন না। তাঁর বিশ্বাস ও আল্লাহর ইবাদাত মানুষের কাছে পরিচিত ছিল। এ কারণে যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহর সা. আবির্ভাবের সংবাদ তাঁকে দিয়েছিল, বলেছিলঃ

‘‘আবু যার, তোমার মত মক্কার এক ব্যক্তি ‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে থাকেন।’’

তিনি কেবল মুখে মুখেই তাওহীদে বিশ্বাসী ছিলেন না, সেই জাহিলী যুগে নামাযও আদায় করতেন। এ সম্পর্কে তিনি নিজেই বলেছেন, ‘আমি রাস

করেছেন (বিশারদ) (1,168 পয়েন্ট)  
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

অবশিষ্টাংশ এইখানে দেখুন।



সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharif45 (বিশারদ) (1,050 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,563 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,563 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,563 পয়েন্ট)  
1 উত্তর
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,563 পয়েন্ট)  
...